জুনের তৃতীয় সপ্তাহে থেকে বাজারে মিলবে হাড়িভাঙ্গা আম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত বছর ভারতের প্রধানমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীসহ আরও কয়েকটি দেশের প্রধানকে রংপুরের হাড়িভাঙ্গা আম উপহার পাঠিয়েছিলেন।

 

 

এতে হাড়িভাঙ্গা আমের সুখ্যাতি আরও ছড়িয়ে পড়ে। এবার আমচাষী এবং যারা বাগান লিজ নিয়েছেন তারা ভালোভাবে আমের পরিচর্য়া করেছেন। দেশের অন্যান্য স্থানের আম শেষ হয়ে যাওয়ার পরই এই আম বাজারে পাওয়া যাবে।

 

 

কৃষি অফিসের মতে, হাড়িভাঙ্গা আম গাছ থেকে পাড়া শুরু হবে জুনের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে। তবে প্রচণ্ড গরম কিংবা আবহাওয়া প্রতিকূল থাকলে নির্ধারিত সময়ের সপ্তাহখানেক আগেও বাণিজ্যিকভাবে এই আম বিক্রি করতে পারবে আমচাষীরা।

 

 

ঝড় বাদলে কিছুটা ক্ষতি হলেও ফলন ভালো হয়েছে। শেষ পর্যন্ত সবকিছু ভালো ভাবে হলে শুধু হাড়িভাঙ্গা আম বিক্রি করে রংপুরের চাষিরা ২০০ কোটি টাকার ওপর ঘরে তুলতে পারবে বলে আশা করছেন কৃষি অফিস।

 

 

রংপুর কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার রংপুর জেলায় ৩ হাজার ৫ হেক্টর জমিতে আমের ফলন হয়েছে। এর মধ্যে হাড়িভাঙ্গার ফলন হয়েছে ১ হাজার ৪৫০ হেক্টরে।

 

 

গত বছর প্রতি হেক্টরে সব প্রজাতির আমের ফলন হয়েছিল গড়ে ৯ দশমিক ৪ মেট্রিক টন। হাড়িভাঙ্গার উৎপাদন হয়েছিল প্রতি হেক্টরে প্রায় ১২ টন। এবার আশা করা হচ্ছে, গতবছরের চেয়ে ফলন বেশি হবে।

 

 

সেই হিসেবে শুধু হাড়িভাঙ্গা উৎপাদন হতে পারে ১৫ হাজার মেট্রিক টনের ওপর। মৌসুমের শুরুতে দাম কিছুটা কম থাকলে প্রতি কেজি হাড়িভাঙ্গা আম ৮০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয়।

 

 

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ওবায়দুর রহমান মন্ডল জানান, দেশের অন্যান্য স্থানের আম শেষ হয়ে যাওয়ার পর হাড়িভাঙ্গা আম বাণিজ্যিকভাবে বাজারে আসে। জুনের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে এই আম বাজারে আসবে। গৌরমুখি ও বারি-৪ জাতের আম আরও পরে পাকে।

 

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন

Add a Comment

Your email address will not be published.

CAPTCHA