দের কোটি টাকার গরু ও ছাগল আছে টি. ইসলামের খামারে

তরিকুল ইসলাম। চাঁপাইনবাবগঞ্জের সফল এ ব্যবসায়ী টি. ইসলাম নামেও পরিচিত। যার স্বনির্ভরতার আলোতে আলোকিত চারপাশ। যার গরু ও ছাগলের খামার এখন মডেল।

 

 

এক সময় শখের বসে গাভী পালন করলেও সেটিকে বর্তমানে ব্যবসায় রূপান্তরিত করেছেন চাঁপাই নবাবগঞ্জের এ ব্যবসায়ী। তার মালিকানাধীন খামারে কর্মসংস্থান হয়েছে ১৫ জন স্থানীয় সহায়-সম্বলহীন মানুষের। গরু, ছাগল ও মাছ চাষে বর্তমানে তিনি একজন সফল খামারি।

 

 

চাঁপাই নবাবগঞ্জ পৌর এলাকার মীরপাড়ায় চোখে পড়বে মিনার অটো রাইস মিল। সেই অটো রাইস মিলের মধ্যেই রয়েছে মিজান ডেইরি অ্যান্ড গট ফার্ম। বিশাল আকারের খামারে গরু ও ছাগলের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে।

 

 

যেখানে তিনজন লোক এসব গরুর দেখাশোনায় ব্যস্ত। দিনের বেলায় খোলা আকাশের নিচে গরু-ছাগল রাখার জন্য আলাদা জায়গাও রয়েছে। বর্তমানে উন্নত জাতের গাভীসহ ৬০টি গরু রয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় এক কোটি টাকা।

 

 

এ ছাড়াও ২৭৫টি উন্নত জাতের ছাগল ও ৪০টি গাড়ল রয়েছে। খামারে বড় হচ্ছে তোতাপুরি, শিহইল, হরিয়ান, রাম ছাগলসহ উন্নত জাতের ছাগল। তিনি বিভিন্ন পশুর হাটে ঘুরে ঘুরে উন্নত জাতের এসব ছাগল সংগ্রহ করেন। এসব প্রাণীর বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা।

 

 

এ খামার দেখে উৎসাহিত হচ্ছেন অনেকে। অটো রাইস মিলের পেছনের জমিতে খামারের গরু-ছাগলকে খাওয়ানোর জন্য বোনা হয়েছে বিভিন্ন প্রজাতের ঘাস। এই খামারে শতাধিক মানুষের কর্মসংস্থান গড়তে ধীরে ধীরে এর পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন।

 

 

গরু-ছাগলের খামার ও মাছ চাষের ব্যবস্থাপনায় আছেন তরিকুল ইসলামের বড় ছেলে মিজানুর রহমান। জানা গেছে, চাঁপাই নবাবগঞ্জের মীরপাড়ায় মিনার অটো রাইস মিল সংলগ্ন এলাকায় ২০০৫ সালে প্রথমে গরুর খামার গড়ে তোলেন।

 

 

এরপর নাচোল উপজেলার লক্ষ্মীপুরে নির্মাণাধীন টি ইসলাম এগ্রো ফুড ইন্ডাস্ট্রিজের পাশেই গড়ে তোলেন আরও একটি পশুর খামার। পাশেই রয়েছে দৃষ্টিনন্দন পুকুর। সেখানে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করছেন তিনি। এ ছাড়াও আশেপাশে ১৬টি পুকুর রয়েছে তার।

 

 

টি. ইসলাম জানান, প্রতি বছরই খামারে গরু-ছাগলের সংখ্যার বাড়ানো হয়েছে। গরু-ছাগলের জন্য আলাদাভাবে বিশাল একটি খামার নির্মাণ করা হয়েছে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হিসেবে খামারের আয়তন বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।

 

 

তার দাবি, সব ধরনের উদ্যোক্তার জন্যই ব্যাংকিং সহায়তা প্রয়োজন। সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে এ খামার গড়ে তুলেছি। ব্যাংকিং সহায়তা পেলে এ খামারের পরিধি আরও বাড়ানো সম্ভব।

 

তথ্যসূত্রঃ এগ্রি ভিউ

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

CAPTCHA