খামারে মুরগির বাচ্চার মৃত্যু ঝুঁকি কিভাবে কমাবেন?

মুরগির খামারে বাচ্চার মৃত্যু ঝুঁকি কমানোর কৌশলগুলো আমাদের জেনে রাখা দরকার। বর্তমান সময়ে ডিম ও মাংসের চাহিদা পূরণে মুরগির খামারগুলো বেশ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। মুরগির খামারে নানা জটিলতায় বাচ্চা মারা যেতে দেখা যায়। আজকের এ লেখায় আমরা জেনে নিব মুরগির খামারে বাচ্চার মৃত্যু ঝুঁকি কমানোর কৌশলগুলো সম্পর্কে-

 

 

মুরগির খামারে বাচ্চার মৃত্যু ঝুঁকি কমানোর কৌশলঃ

কিছু কৌশল অবলম্বন করলে খামারে মুরগির বাচ্চার মৃত্যু অনেকাংশে কমিয়ে আনা যায়। নিচে এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হল-

 

 

১। খামারে মুরগির বাচ্চার মৃত্যুর ঝুঁকি কমানোর জন্য থাকার স্থান যাতে বেশ বড় হয় সেদিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দিতে হবে। মুরগির বাচ্চার থাকার জায়গা কম হলে বাচ্চাগুলো গাদাগাদি হয়ে মারা যেতে পারে। গাদাগাদি হওয়া থেকে বাচ্চাগুলোকে রক্ষা করতে বেশি পরিমাণ জায়গা বরাদ্দ রাখতে হবে।

 

 

২। বাচ্চার থাকার স্থানের তাপমাত্রা যেন খুব বেশি কিংবা খুব কম না হয় সেদিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে। বাচ্চার শরীরের সাথে বাইরের তাপমাত্রার বড় কোন পরিবর্তন হলে অনেক সময় বাচ্চা মারা যেতে পারে। এজন্য মুরগির বাচ্চা সহনীয় তাপমাত্রায় মধ্যে রাখতে হবে।

 

 

৩। খামারে বাচ্চার মৃত্যুর হার কমানোর জন্য বাচ্চা পরিবহণ করার সময় এমনভাবে পরিবহণ করতে হবে যাতে কোনভাবেই মুরগির বাচ্চাগুলো আঘাত না পায়। পরিবহণের সময় বাচ্চা আঘাত পেলে পরে বাচ্চা মারা যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

 

 

৪। খামারে মুরগির বাচ্চার মৃত্যু ঝুঁকি কমিয়ে আনার জন্য খামারে প্রয়োজনীয় আলো ও বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে।

 

 

৫। খামারে বাচ্চার মৃত্যুর হার কমানোর জন্য জটিল রোগ থেকে বাচ্চাগুলোকে রক্ষা করতে হবে। কোন কারণে বাচ্চাগুলো রোগে আক্রান্ত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

 

তথ্যসূত্রঃ আধুনিক কৃষি খামার

Add a Comment

Your email address will not be published.

CAPTCHA